ক্রিয়েটিভিটি বা সৃজনশীলতা কি লিমিটেড? নাকি এটি কাজের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়?

২০১০ এ একদিন Razib Ahsan ভাই আমাকে বলছিল: “অনলাইনে কাজ করতে হলে আপনাকে ক্রিয়েটিভ হতে হবে।” আমিও তখন এই চিন্তায় পড়ে গেছিলাম। আমি তো ক্রিয়েটিভ না তাহলে কি আমার দ্বারা হবেনা? 

এরপর এত কিছু না ভেবেই জাস্ট শুরু করে দিয়েছিলাম। পরে এই প্রশ্নের উত্তর নিজেই পাইছি। ক্রিটিভিটি ডিপেন্ড করে Consistency এর ওপর। যখন একি বিষয় নিয়ে মানুষ প্রতিদিন, প্রতিক্ষণে ভাবতে থাকে। একটা পর্যায়ে গিয়ে সে ঐ বিষয় নিয়ে গভীর থেকে গভীরতম চিন্তা করতে পারে। এবং ঐ বিষয়ের সকল কিছুই তার জানা হয়ে যায়। কিন্তু মানুষের মন জন্মগত ভাবেই সৃষ্টিশীল তাই কোন কিছু জানার শেষ প্রান্তে যখন চলে যায় তখন মস্তিষ্ক Innovation বা উদ্ভাবনের চেষ্টা করে। এই Innovation থেকেই জন্মনেয় সৃষ্টিশীলতা বা ক্রিয়েটিভিটি। 

ক্রিয়েটিভিটি আসলে লিমিটেড না, আবিষ্কৃত জ্ঞানের পরিমাণ লিমিটেড। ক্রিটিভিটি আনলিমিটেড এবং এটা কাজের মাধ্যমে শুধু বাড়তেই থাকবে, বাড়তেই থাকবে। কিন্তু একটা বিষয়ের ওপর ফোকাস করে লেগে থাকতে হবে। তবে রেজাল্ট আনার ব্যবস্থা করে লেগে থাকতে হবে। কারণ মস্তিষ্ক পুরস্কৃত হতে পছন্দ করে। তাই কোন কাজ থেকে রিটার্ন না আসলে সে সেখানে ক্রিয়েটিভ হতে চাইবেনা।

মস্তিক যখন আর ক্রিয়েটিভ হতে চায়না তখন সেই অবস্থাকে বলে ‘Creative Lock’ অর্থাৎ আর নতুন কিছু বেড় হচ্ছেনা, কিন্তু মস্তিষ্কের এই অবস্থা সাময়িক। ক্রিটিভিটি লক খোলার চাবি হচ্ছে Reward বা পুরষ্কার। মস্তিষ্ককে পুরস্কৃত করতে হবে। টাকা ইনকাম করে, অথবা রিক্রিয়েশনাল এরিয়াতে যেতে হবে, অথবা যেই কাজ মস্তিক করতে পছন্দ করে সেই কাজ করতে হবে তাহলেই আবার মস্তিষ্ক ক্রিটিভিটি লক খুলে দিবে এবং নতুন চিন্তা করে চিন্তার পরিধি বাড়াতে ভালো লাগবে।

মোড়াল অফ দ্যা স্টোরি হচ্ছেঃ ক্রিয়েটিভ হতে হলে লার্নিং, ফোকাস, সাস্টেইনিবিলিটি, রিওয়ার্ড এবং রিক্রিয়েশন এর একটা ব্যালেন্স মেইন্টেইন করে চলতে হবে। Always remember this: “Life is all about balancing. The better you can balance everything, the more successful you’ll become” 🙂

Leave a Reply